শনিবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৩
Homeনারী ও শিশু‘কর্মজীবী মায়েরা নিশ্চিন্তে দায়িত্ব পালন করতে পারবে’

‘কর্মজীবী মায়েরা নিশ্চিন্তে দায়িত্ব পালন করতে পারবে’

গ্রীনসিটি ডেস্ক:

মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র সেবা নিশ্চিত করা গেলে কর্মজীবী মায়েরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারবেন। শিক্ষিত ও দক্ষ নারীরা কর্মস্থলে প্রবেশ করতে উৎসাহিত হবেন। তবেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪১ সালে কর্মস্থলে নারী-পুরুষের সমান করার অঙ্গীকার বাস্তবায়িত হবে।

রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় মতিঝিলে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি

ফজিলাতুন নেসা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুদের অত্যন্ত স্নেহ করতেন। তিনি সংবিধানে শিশুর অধিকার নিশ্চিত করেন ও প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেন। শিশুরা যেন সৃজনশীল, মননশীল ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে সে লক্ষ্যে শিশুবান্ধব অনেক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন জাতির পিতা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের নারীবান্ধব উন্নয়ন ও নীতি কৌশল বাস্তবায়নের ফলে গত একযুগে আত্মকর্মসংস্থানসহ সবক্ষেত্রে নারীর অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এসব কর্মজীবী নারীদের সন্তানদের সুরক্ষা, শিক্ষা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র আইন, ২০২১ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ মন্ত্রণালয় বর্তমানে ১১৯টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিচালনা করছে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নির্মিতব্য মহিলা কমপ্লেক্স ভবনসহ সব বৃহৎ ও সুউচ্চ সরকারি ভবনে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এই ডে-কেয়ার সেন্টারটি মতিঝিল অফিস পাড়ার কর্মজীবী মায়েদের সুবিধার জন্য স্থাপন করা হয়েছে।

মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফরিদা পারভীনের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ. কে. এম. শামীম আক্তার, পরিচালক মনোয়ারা ইশরাত ও প্রকল্প পরিচালক শবনম মোস্তারীসহ মন্ত্রণালয়, দপ্তরসংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের ২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের আওতায় মতিঝিলের বিসিআইসি ভবন-২ এ ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। তিন হাজার ৯০০ বর্গফুট আয়তনের এ শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে ৬০ জন শিশু সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত থাকার সুবিধা রয়েছে। এসময় শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, সকাল-বিকেলের নাস্তা ও দুপুরের খাবার দেওয়া হবে। শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রটিতে রয়েছে বিভিন্ন খেলনা ও সাংস্কৃতিক চর্চার সুবিধা।

জাগোনিউজ

সর্বশেষ সংবাদ