শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৩
Homeখেলাধুলাচট্টগ্রামে ফ্লাডলাইট বিভ্রাটে বন্ধ থাকলো খেলা

চট্টগ্রামে ফ্লাডলাইট বিভ্রাটে বন্ধ থাকলো খেলা

গ্রীনসিটি ডেস্ক:

আফগানদের বোলিং তোপে ঘোর অমানিশা নেমে এসেছিল বাংলাদেশে। মাত্র ৪৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ঘোর বিপদে পড়ে গিয়েছিল স্বাগতিকরা। দুই তরুণ মেহেদি হাসান মিরাজ ও আফিফ হোসেন ধ্রুবর ব্যাটে সেই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে ছিল বাংলাদেশ। তখনই ঘটলো আরেক বিপত্তি।

বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সেই অন্ধকার যেনো ভর করলো চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামেও। দিনের আলো কমে সন্ধ্যা নামতেই জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ফ্লাডলাইট। কিন্তু জ্বললো না ফ্লাডলাইটের সব বাতি। যে কারণে প্রায় ১৫ মিনিট বন্ধ থাকলো মাঠের খেলা। সব বাতি ঠিকঠাক জ্বলার পর আবার শুরু করা হয় খেলা।

বিকেল ৫টা ২৩ মিনিটের দিকে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল সব ফ্লাডলাইট। বাংলাদেশ ইনিংসে তখন শেষ হয়েছিল ৩০ ওভার। স্কোরবোর্ডে রান ছিল ৬ উইকেটে ১৩০ রান। শেষ ২০ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৮৬ রান। আফিফ ৪৯ ও মিরাজ অপরাজিত ছিলেন ৩৮ রানে।

পরের ওভার শুরু করার মুখেই ছিলেন আফগান লেগস্পিনার রশিদ খান। কিন্তু প্যাভিলিয়ন প্রান্তের ফ্লাডলাইটের সব বাতি জ্বলেনি। এমনকি প্রেসবক্স প্রান্তেও এক ফ্লাডলাইটের বেশিরভাগ বাতিই ছিল বন্ধ। যে কারণে তখন বন্ধ রাখা হয় খেলা। আম্পায়াররা আগেই নিয়ে নেন পানি পানের বিরতি।

ফ্লাডলাইটের সব বাতি জ্বলে ওঠার জন্য অপেক্ষা করতে হয় ১৫ মিনিট পর্যন্ত। পরে ৫টা ৩৮ মিনিটে পুনরায় শুরু হয় খেলা। ওভারের দ্বিতীয় বলেই সিঙ্গেল নিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন আফিফ। পঞ্চাশে পৌঁছতে ৬৪ বল খেলেছেন আফিফ। যেখানে ছিল ৫ চার ও ১ ছয়ের মার।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের এই মাঠে ফ্লাডলাইট বিভ্রাটের ঘটনা ঘটে প্রায় নিয়মিতই। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ২০১১ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে। সেদিন ১৭৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১ উইকেট হারিয়ে ৬১ রান করে ফেলেছিল বাংলাদেশ। এরপর বন্ধ হয়ে যায় মাঠের সব ফ্লাডলাইট।

অনেকক্ষণ খেলা বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হলে পুরোপুরি বদলে যায় ম্যাচের দৃশ্যপট। ১ উইকেটে ৬১ থেকে ১১৭ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। জয়ের সম্ভাবনা থেকে উল্টো মেলে ৬০ রানের পরাজয়।

জাগোনিউজ

সর্বশেষ সংবাদ