শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৩
Homeরাজশাহী প্রতিদিনরাজশাহীবেলিফুলের ‘শাহী জিলাপি’

বেলিফুলের ‘শাহী জিলাপি’

নিজস্ব প্রতিবেদক:


ইফাতারে অনেকেরই প্রিয় খাবার হচ্ছে জিলাপি। স্বাদ ও সাধ্যের মধ্যে রেখে ঐতিহ্যের ২৬ বছর ধরে গ্রাহকের চাহিদাপূরণ করে চলেছে নগরীর গণকপাড়ার অভিজাত মিষ্টি বিপণি বেলিফুল। অন্যান্য মিষ্টি দোকানের পাশাপাশি বেলিফুলের শাহী জিলাপির কদর তুঙ্গে। রোজা উপলক্ষ্যে মিষ্টির দোকানে মিষ্টির চেয়ে জিলাপি ও দই বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান দোকানিরা।

বুধবার (৬ এপ্রিল) দেখা গেছে দুপুর গড়াতেই মহানগরীর এই অভিজাত মিষ্টি বিপণিতে সদ্য ভেজে তোলা চিনির রসে ডোবানো গরম-গরম জিলাপির স্বাদ নিতে ক্রেতাদের জটলা বাড়তে শুরু করে। এতে জিলাপির জনপ্রিয়তার প্রমাণ মেলে।

সরেজমিনে বেলিফুল মিষ্টির দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, ইফতারি আইটেম বিক্রি হচ্ছে। জিলাপির মধ্যে এই দোকানে সবচেয়ে আলাদা জিলাপি হচ্ছে মাসকালাই আটার তৈরি আমিত্তি জিলাপি। অত্যাধিক জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই জিলাপি। আর ২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। শাহী জিলাপী সবার পছন্দের জিলাপী ।

শাহী জিলাাপি ১৮০ টাকা, রেশমী জিলাপি ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গ্রাহকের তৃপ্তি মেটাতে রয়েছে ১২০ টাকা লিটার হিসেবে বিক্রি হয়েছে স্পেশাল মাঠা। এছাড়া ইফতারির জন্য দইয়ের মধ্যে কড়া মিষ্টির দই ১৬০ টাকা, টক মিষ্টির ১৮০ টাকা, স্পেশাল টক দই ২৪০ টাকা এবং টক দই ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রমজান মাসে এ জিলাপি দিয়ে মিষ্টিমুখ করতে পছন্দ করেন রোজাদাররা। ফলে প্রতিবছর রোজা এলেই জিলাপির কদর দ্বিগুণ বেড়ে যায়। এজন্য পুরো রমজানে এর চাহিদা ব্যাপক।

রাজশাহীর বেলিফুল মিষ্টি বিপণিতে শাহী জিলাপি কিনতে আসা ইলেকট্রিক ওয়ার্ল্ডের কর্মচারী রাজু খান জানান, এই দোকানের শাহী জিলাপি অনেক স্বাদের। তাই তো তারা প্রতিবছর রমজান এলেই ইফতারের জন্য এই বেলি ফুলের স্পেশাল শাহী জিলাপি কেনেন। জিলাপির ওপরের অংশ শক্ত ও মচমচে ভাজা। আর ভেতরে টসটসে রসে ভরা জিলাপি।

আর দুগ্ধজাত মিষ্টির চেয়েও জিলাপি দামে সস্তা হওয়ায় সবাই এর স্বাদ নেন প্রতিদিনের ইফতারে। ইফতারি সকল কর্মচারী মিলে তৃপ্তিসহকারে করেন।

শাহী জিলাপির জন্য খ্যাত বেলিফুল মিষ্টি বিপণীর স্বত্বাধিকারী প্রদীপ কুমার জানান, জিলাপির আইটেম কেবল রমজানভিত্তিকই করা হয়ে থাকে। বছরের অন্য সময় এগুলো পাওয়া যায় না। আর রোজায় স্পেশাল শাহী জিলাপির বেশ কদর রয়েছে।

ইফতারে তাই মিষ্টির চেয়ে জিলাপি বিক্রি হয় বেশি। স্পেশাল আইটেম হিসেবে শাহী জিলাপি শুধু বেলি ফুলেই তৈরি করা হচ্ছে। জিলাপির পাশাপাশি ডালডায় ভাঁজা লাচ্চা সেমাই ৩০০ টাকা এবং ঘি’এ ভাঁজা লাচ্চা সেমাই ৫০০ টাকা কেজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

সর্বশেষ সংবাদ