নিজস্ব প্রতিবেদক:
পবিত্র ইদুল আজহার আর মাত্র ২ দিন বাকি। জমে উঠতে শুরু করেছে নগরীর সাহেব বাজারের অস্থায়ী ছাগলের হাট। চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাচোলসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ভালো দামের আশায় ছাগল নিয়ে আসছেন ব্যাপারিরা। হাঁকডাকে জমে উঠেছে এই হাট। তবে কেনাবেচা ও দাম-দর নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
সকাল থেকেই এই হাটে ছাগল নিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। ৭ হাজার থেকে শুরু করে ৪০ হাজার টাকা দামের ছাগল মিলছে এই হাটে। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই ) সাহেব বাজারের অস্থায়ী এই হাট ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে ছাগল নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বেপারিরা। খামারিসহ বাইরে থেকে ছাগল কিনে এনেও বিক্রি করতে দেখা গেছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থেকে বিক্রেতা মনিরুল ইসলাম জুয়েল কয়েকটি ছাগল নিয়ে এসেছিলেন। তার লালু নামের একটি খাসির দাম হাঁকছিলেন ৫০ হাজার টাকা। তবে ক্রেতারা ৩৫ হাজার টাকার উপরে দাম বলছে না। তারভাষ্যমতে, এবার ক্রেতারা ছাগলের দাম বলছেন না।
অপরদিকে, অনেক দামদর করার পর ২২ হাজার টাকায় কোরবানির একটি ছাগল কেনেন ভদ্রা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, সিটি হাটে অনেক ভিড় থাকে। তাই অস্থায়ী হাটে এসেছেন। এখানে ছাগলের দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। আমি যে ছাগলটি নিলাম তা সিটি হাটে হলে ২০ হাজারেই পেয়ে যেতাম। তবে পরিবেশ ও অন্যান্য খরচ বিবেচনায় এটাই আমার কাছে ভালো মনে হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর থেকে সাহেব বাজারের অস্থায়ী হাটে এসেছেন ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা সকালে এসেছি। মিনি ট্রাকে আমারা কয়েক জন মিলে এসেছি। আজকে আমি মোট ৩০টি খাসি নিয়ে এসেছি। এখন পর্যন্ত ১৪টি খাসি বিক্রি হয়েছে। এবছর বেচাকেনা আগের বছরের থেকে তুলনামূলক কম। খাসিগুলোর দাম আগের মতো রয়েছে।
ক্রেতারা এবছর ১৫ খেকে ২০ হাজারের মধ্যে দাম করছে। ছোট খাসি গুলোই দ্রুত বিক্রি হয়েছে। এখন ২০ থেকে ২৫ হাজারের খাসিগুলো আছে। ক্রেতারা দামাদামি করছে। কিন্তু তারা যে দাম বলছে, সেই দামে বিক্রি হলে লাভ হবে না। তবে ইদের আগের দিনে ছাগলের কেনাবেচা ভালো হয়। এবারও হবে বলে আশা করছি।





