ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ জুন ২০২৩
  • অন্যান্য

রাজশাহীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

জুন ২৯, ২০২৩ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ । ১৯৬ জন

উত্তরের বিভাগীয় শহর রাজশাহীতে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সকাল ৮টায় হযরত শাহ মখদুম (রহ.) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে। রাজশাহীর বিশাল এ ঈদ জামাতে ইমামতি করেন মহানগরীর হেতমখাঁ বড় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা ইয়াকুব আলী। তাকে সহযোগিতা করেন শাহ মখদুম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ। এখানে রাজশাহীর পুনর্নির্বাচিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার জিএসএম জাফরউল্লাহ ও জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাসহ মুসল্লিরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে ঈদ জামাতে আসা মুসল্লিরা কোলাকুলি করেন। পরে তারা পরস্পরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। এছাড়া রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় এবার প্রায় ৫০টি এবং ৯ উপজেলায় আরও প্রায় ৩৫০টি ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যেই সব এলাকায় ঈদের এ জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রধান জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পুনরায় নির্বাচিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। ঈদের নামাজের পর মুসল্লিদের সাথে কুশল ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নগরপিতা।

রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম কেন্দ্রীয় মসজিদে ঈদের প্রধান জামাতে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে দেশ-জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ-শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ সময় দেশ ও জাতির স্বার্থে সবার মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি রক্ষার ডাক দেওয়া হয়। আহ্বান জানানো হয় সন্ত্রাসবাদ পরিহারের। ঈদের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় সাধ্যমতো পশু কোরবানি করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। এর আগে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর দরবারে প্রয়াত বাবা-মা ও স্বজনদের রুহের মাগফেরাত কামনার জন্য মহানগরীর বিভিন্ন গোরস্থানে যান এবং কবর জিয়ারত করেন। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) রফিকুল আলম জানান, ঈদের জামাতকে ঘিরে এবার কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কাউকে জায়নামাজ ছাড়া কোনো ব্যাগ, ভারী বস্তু বা অন্য কোনো দ্রব্যাদি বহন করতে দেওয়া হয়নি।
এছাড়া ঈদুল আজহার নামাজকে ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। সেইসঙ্গে ঈদগাহ ও মসজিদগুলোর আশপাশের এলাকায় সকাল থেকেই পুলিশি টহল বাড়ানো হয়। যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও থেকে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। রাজশাহী মহানগরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই ঈদ উদযাপন শুরু হয়েছে। সূত্র : বাপ্র