ঈদে ক্রেতাদের চাহিদার শীর্ষে ‘সুপরা সিল্ক’
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিল্কের কাপড় মানেই চাহিদার শীর্ষে। তারপরে সুপরা সিল্ক। নিঃসন্দেহে আরামদায়। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে রাজশাহীর সপুরা সিল্ককে কেনা-বেচা জমেছে। বুধবার (৬ জুলাই) বিকেলে সপুরা সিল্ককে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আলিশান সুপারা সিল্ক শোরুমে ক্রেতারা পছন্দে পোশাক কেনা-কাটা করছেন।
সপুরা সিল্ক নিজস্ব রেশম কারখানায় তৈরি হচ্ছে। সেখানে মিলবে রেশমের তৈরি পোশাকের। সফট সিল্ক, মসলিন সিল্ক, সিল্কের ওপর কারচুপি ও অ্যামব্রডারির মনকাড়া ডিজাইনের কাপড়ে ঠাসা রয়েছে শোরুম। এখানে সিল্কের নানা ধরণের শাড়ি, থ্রিপিস, হিজাব, ওড়না, স্কার্ফ, শার্ট ও পাঞ্জাবি পাওয়া যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে- সপুরার পুরো সিল্কপল্লীর ঐতিহ্যবাহী কাপড়ের কদর রয়েছে সারাবছরই। বাঙালির বিভিন্ন উৎসবে সেই কদর আরো কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এবছর আমেও মৌসুমে ঈদ হওয়ার ব্যবসা ভালো হচ্ছে।

সপুরা সিল্কে বিভিন্ন দামের পাঞ্জাবী বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে চার হাজার ৫০০ থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত। শার্ট ১ হাজার ৬০০ থেকে শুরু করে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, উড়না ৮০০ থেকে শুরু করে ৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বরিশালের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম। তিনি চাকরির সুবাদে রাজশাহীতে থাকেন। ঈদে স্ত্রী ও মেয়ের জন্য সিল্কের পোশাক কিনতে এসেছেন সপুরা সিল্কে। তিনি জানান, সপুরা সিল্কের সুমান সারাদেশ। এই কাপড় অনেক আরামদায়ক। তাই সবারই পছন্দ।
রাবিয়া সুলতানা জানান, ঈদের কাপড় হিসেবে সিল্কই বেশি পরা হয়। এই কাপড় আরামদায়ক। রাজশাহীতে অকেক গরম। তাই সিল্কের কাপড় পরাই ভালো।

সপুরা সিল্ক মিলস লিমিটেডের সেলস ম্যানেজার সাইদুর রহমান জানান- এই ঈদে শাড়ির পাশা-পাশি থ্রী পিস ভালো চলছে। ছেলেদের পাঞ্জাবী, শার্ট, ফতুয়া বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা আবহাওয়া গরমের কথা মথায় রেখে ‘র মুসলিন’ কিনছেন।
তিনি আরো বলেন, সপুরা সিল্কের সুমান দেশজুড়ে। বাইরের অতিথিরা রাজশাহীতে আসলে সপুরা সিল্কে পা না দিয়ে যান না। রাজশাহীতে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কোন অনুষ্ঠান হলে অনেকেই আসেন সপুরা সিল্কে। পছন্দের পোশাক কেনন প্রিয়জনের জন্য।
