‘নিরাপদ ক্যাম্পাসের’ দাবিতে আমরণ অনশনে রাবির আট শিক্ষার্থী
অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো—গতকাল শনিবারের ঘটনার জন্য প্রক্টরের পদত্যাগ ও প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে হবে; বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ ও নির্দিষ্ট পাসকার্ডের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে; আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ব্যয় প্রশাসনকে বহন করতে হবে; হামলাকারীদের চিহ্নিত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে; বিশ্ববিদ্যালয়ে রিকশাভাড়া ও খাবার বিল নির্ধারণ করে দিতে হবে; বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে বহিরাগতদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ করতে হবে; শতভাগ আবাসিকতা নিশ্চিত করতে হবে ও এতে রাজনৈতিক কোনো দখলদারত্ব থাকতে পারবে না এবং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলওয়ে স্টেশন আবার চালু করতে হবে।
এদিকে, গতকাল বগুড়া থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পথে বাসের আসনে বসা নিয়ে চালক ও চালকের সহকারীর সঙ্গে এক শিক্ষার্থীর কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় স্থানীয় এক দোকানদার এসে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে ওই দোকানদারের ওপর চড়াও হন। এর জের ধরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জড়ো হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। তখন শিক্ষার্থীরাও তাঁদের পাল্টা ধাওয়া করেন এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
দফায় দফায় এ সংঘর্ষে রাবি শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, পুলিশ ও ব্যবসায়ীসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রাবি শিক্ষার্থী রাকিব আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। রাবি ক্যাম্পাস এবং এর আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাত প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। প্রথম আলো
