বৃহস্পতিবার থেকে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাশ্রয়ী মূল্যে তিনটি খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে রাজশাহী নগরী, উপজেলা ও বিভাগের জেলাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চিনি, তেল ও মসুরের ডাল ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে আগামি বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে পেঁয়াজ বিক্রি হতে পারে বলে জানা গেছে।
টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, চিনি ও তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও ৫ টাকা বেড়েছে মসুরের ডালের দামে। তবে করোনাকালীন ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে লাইনে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে টিসিবির পণ্য কিনতে দেখা গেছে ক্রেতাদের। এছাড়া ক্রেতাদের কারো মুখে মাস্ক থাকলেও তা যথাযথ স্থানে ছিল না।
রাজশাহী টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী মহানগরীর চারটি পয়েন্টে টিসিবি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে পণ্য বিক্রি করছে। এছাড়া রাজশাহীর তিন উপজেলায় তিনটি স্থানে ছাড়াও নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পাবনায় টিসিবি ডিলারের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করছে। এই কার্যক্রামে একজন ডিলার চিনি পাচ্ছে ৫০০ কেজি, মসুরের ডাল পাচ্ছে ৫০০ কেজি, সয়াবিন তেল পাচ্ছে ৬০০ লিটার।
সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর ঘোষপাড়া মোড়ে টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। দীর্ঘ লাইনে ক্রেতাদের অনেকের মুখে মাস্ক ছিল। তবে তুলনায় কম। কেউ কেউ মাস্কের পরিবর্তে মাপলার দিয়ে মুখ পেঁচিয়ে রেখেছেন। আবার কারো মুখে মাস্ক থাকলেও তা যথাযথস্থানে ছিল না।
রাজিব নামের এক ব্যক্তি জানায়, লাইনে ফাঁকা হয়ে দাঁড়ানোর পরেও আস্তে আস্তে ঠাঁসাঠাঁসি হয়ে যায়। কেউ কেউ মনে করেন লাইনে একটু ফাঁকা থাকলে অন্যকেউ ঢুকতে পারে। তাই কেউ লাইনে ফাঁকা রাখতে চান না।
নাম প্রকাশ না কারার শর্তে একজন ডিলার জানান, আমরা সবসময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে লাইনে দাঁড়াতে বলি। সেই সঙ্গে মাস্ক বাধ্যতামূলক। মাস্ক না পড়লে লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় মাস্ক পড়তে বাধ্য করি। তবে ফাঁকা হয়ে দাঁড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়না। প্রথমে ফাঁকা থাকলেও আন্তে আন্তে কাছাকাছি হয়ে যায়।
টিসিবি রাজশাহীর অফিস প্রধান মি. শাহিদুল ইসলাম জানান, সর্বশেষ প্রত্যেক ডিলারকে হ্যান্ড মাইক কেনানো হয়েছে। যাতে করে মাস্ক ও সামাজিক দূরত্বে থেকে পণ্য কেনার বিষয়টি বলা যায় মাইকে। তবুও ক্রেতাদের বিভিন্নভাবে বলেও মানানো সম্ভব হচ্ছে না। তার পরেও ডিলারদের বলা হয়েছে মাস্ক ছাড়া কোনো পণ্য বিক্রি না করতে।
