১০ October ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Greencity24

রাজশাহীতে দাম বেড়েছে সবজি, মাছ ও মাংসের

প্রকাশিত: ২৬ February ২০২২, ১২:২৪ pm | বিভাগ: অন্যান্য, রাজশাহী প্রতিদিন
রাজশাহীতে দাম বেড়েছে সবজি, মাছ ও মাংসের
বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:


দাম বেড়েছে সবজি, মাছ ও মুরগির মাংসের। গত কয়েকদিনের তুলনায় এসকল নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে বাজারে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরহ কম। সবকিছুর দামের সাথে এগুলোও দাম বেড়েছে। বাজারে বিভিন্ন সবজির প্রতিকেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। এছাড়া বিভিন্ন মাছে প্রতিকেজিতে বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

ক্রেতারা বলছেন, রমজান মাস আসন্ন। তাই আগে থেকেই সব জিনিসপত্রের দাম বাড়াতে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ক্রেতাদের নাগলের মধ্যে রাখতে বাজার মনিটরিং জরুরি। নিয়মিত বাজার মনিটরিং থাকলে ব্যবসায়ীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়াতে পারবে না।

শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নগরীর বিনোদপুর বাজারে সবজি ব্যবসায়ী শহিন আলী জানান, সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। পাইকাররা বলছে, সরবরহ কম। তাই পাইকারদের থেকে বেশি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে আমাদের। সেই সঙ্গে কৃষক পর্যায়ে বেড়েছে সবজির দাম। তাই বেশি দামে কিনে, বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে সবজি।

তিনি জানান, প্রতিকেজি আলু বিক্রি হয়েছে ১৫ টাকা দরে। বেগুন বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ৩৫ থেকে ৩৫ টাকা, কলা প্রতিহালি ২০ থেকে ২৫ টাকা, ফুলকপি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, সিম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, টমেটো বিক্রি হয়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা প্রতিকেজি, মুলা বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা, পাতা কপি ২০ টাকা প্রতিটি, পালং শাক ১৫ টাকা প্রতি আটি। এছাড়া গাজরের কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, লেবুর প্রতিহালি ২০ টাকা, পেপে ২০ থেকে ২৫ টাকা, কুমড়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এই বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, মরিচ ৬০ টাকা, রসুন ৫৫ থেকে ৬০ ও আদা ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে।

সবজি ক্রেতা সুমন জানান, জিনিসের দাম বাড়লে শোনা যায়। কমলেও আগের দামে বিক্রি হয়। বলা হয় আগের কেনা, তাই আগের দামেই বিক্রি করা হচ্ছে। আর দাম বাড়লে আগের কেনা মালও বেশি দামে বিক্রি করা হয়। তিনি আরো বলেন, শুক্রবার সব বাজারেই তুলনামূলক দাম বেশি থাকে। কারণ এই দিনে কর্মজীবীরা পুরো এক সপ্তার বাজার করে। সেই সুযোগে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দেয়। গত সপ্তার তুলনায় সব সবজির দাম বেশি। ব্যবসায়ীরা বরাবরের মতো বলেন- সরবরহ কম। সমস্যা হচ্ছে প্রশাসনের বাজার মনিটরিং থাকলে দাম বাড়তো না।

অন্যদিকে, বিভিন্ন ধরনের মাছের প্রতিকেজিতে বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বলে জানিয়েছেন নগরীর সাহেব বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আবদুল মোমিন। তিনি জানান, সব জিনিসের সঙ্গে সঙ্গে মাছেরও দাম বেড়েছে। মুকামে (আড়তে) বলা হচ্ছে মাছের সরবরহ কম। তাই দাম বেশি।

এদিন সাহেব বাজারে কাতল মাছে বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা দরে। এছাড়া রুই মাছ প্রতিকেজি ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা, সিলভার ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, মাগুর ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, গুচি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, জিয়ল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, পাঙ্গাস ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, জাপানী মাছ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, মিরকা ১৬০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া পাবদা মাছ ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, ইলিশ ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা ও বাম মাছ ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ১৪৫ টাকা ও সোনালী মুরগি বিক্রি হয়েছে ২৫০ টাকা দরে। সেই সঙ্গে ডিমের দামও কিছুটা বেড়েছে। বাজারে প্রতি’শত ডিম বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন