১০ October ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Greencity24

রাজশাহীতে আজও তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির ঘরে

প্রকাশিত: ১৮ April ২০২৩, ৫:৫৫ pm | বিভাগ: আবহাওয়া, রাজশাহী, রাজশাহী প্রতিদিন, শীর্ষ সংবাদ, সব খবর
রাজশাহীতে আজও তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির ঘরে
বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

তীব্র তাপদাহে কাহিল হয়ে পড়েছে রাজশাহীর জনজীবন। একসপ্তাহ থেকে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পাদর উঠছে। এমন অবস্থায় দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে দ্মা পাড়ের রাজশাহী জনজীবন। রোদে কোথাও স্বস্তি নেই।

পথে-ঘাটে শ্রমজীবী মানুষদের দুর্ভোগ আগুনমুখো আবহাওয়া আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে মানুষের পাশাপাশি পশু-পাখিরাও নিদারুণ কষ্টে দিন পার করছে।

আজ মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় রাজশাহীতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক আবদুস সালাম বলেন, রাজশাহীতে গত কয়েকদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বৃদ্ধির দিকে ছিল। আজ মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সোমবার রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মৃদু তাপপ্রবাহ শুরু হয় রাজশাহী অঞ্চলে। এরপর মাঝারি ও তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল। আজ তা অতি তীব্র হলো। বৃষ্টি না হলে এই তাপপ্রবাহ প্রশমিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শনিবার তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি, শুক্রবার তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি, বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি, বুধবার তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ১ ডিগ্রি এবং সোমবার ও মঙ্গলবার ছিল ৩৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রাজশাহীতে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে রোদ আগুন হয়ে ঝরছে। বাতাস নেই, নড়াচড়া বন্ধ রয়েছে গাছের পাতার। পথঘাট উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় খুব প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাইরে বের হচ্ছে না। অনেকেই ঈদের কেনাকাটা ইফতারের পর করছেন। তবে শ্রমজীবী মানুষকে ঠিকই বৈরী পরিবেশের ভেতর কাজ করতে হচ্ছে।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক রাজিব ইসলাম বলেন, রোদ আর গরম সব জায়গায়। কোথাও শান্তি নেই। সড়কে গাড়ি চালালে মনে হচ্ছে আগুনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। গাড়ি চালানোর সময় ট্রাক বা বাসের বাতাস লাগলে মনে হচ্ছে আগুনের ঝাপটা লাগছে।

জিয়ারুল ইসলাম রানা বলেন, চাকরি করি। অফিসে যেতেই হবে। কি রোদ, আর কি গরম। রোজা থেকে বাইরে বের হলে গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা উঠলে গরম বাতাসে মুখ চোখ আরও শুকিয়ে যাচ্ছে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন