রুয়েট ছাত্রের মোবাইল চুরি, অভিযানে উদ্ধার ল্যাপটপ ও প্রিন্টারসহ গ্রেফতার ছয়
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ছাত্রাবাস থেকে চুরি হওয়া মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও প্রিন্টারসহ ৬ চোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চুরি হওয়া জিনিসগুলো রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর বলে জানায় পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নগরীর তালাইমারীর আলম হোসেনের ছেলে শাহাদত হোসেন (২০), সুমন হাসানের ছেলে অনিক (২২), মৃত শামীমের ছেলে রতন (২১), মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে আকাশ আহম্মেদ জুন (২৩), নায়েব আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম সাহেব (২৩) ও বাজে কাজলার মৃত আখদ্দি মন্ডলের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৫)।
পুলিশ জানায়, গত সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নগরীর তালাইমারী এলাকায় একটি মেস (ছাত্রাবাস) থেকে রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাবিয়া নোশিনের একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। এ সংক্রান্তে মতিহার থানায় একটি চুরির মামলা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তালাইমারী পাওয়ার হাউজ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি শাহাদত হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের গ্রেফতারকৃত আসামি মোবাইল ফোন চুরির কথা স্বীকার করে বলে যে, অপর আসামি অনিক ও রতন মিলে মোবাইল ফোনটি চুরি করে এবং বর্তমানে রতনের কাছে চোরাই মোবাইল ফোনটি আছে।
পরে তালাইমারী বিজিবি ক্যাম্প এলাকা থেকে আসামি রতনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে রুয়েট শিক্ষার্থীর চুরি হওয়া মোবাইল ফোনসহ আরো দুইটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। এরপর তালাইমারী পাওয়ার হাউজ এলাকায় আসামি অনিককে গ্রেফতার করা হয়। এসময় আসামির কাছ থেকে একটি চোরাই ল্যাপটপ ও একটি প্রিন্টার উদ্ধার হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিদের তথ্যের ভিত্তিতে তালাইমারী বালুর মাঠ এলাকায় আসামি আকাশ আহম্মেদ জুন ও রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় আসামিদের কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ, একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। একই দিন মতিহার থানা পুলিশের ঐ টিম বাজে কাজলা নদীর ধার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি আনোয়ার হোসেনকে একটি চোরাই মোবাইল ফোনসহ গ্রেফতার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা জানায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে তারা পরস্পর যোগসাজসে রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন চুরি করে ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
