‘বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়া মাহমুদউল্লাহর জন্য চ্যালেঞ্জিং’
গত মার্চের পর থেকেই জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এশিয়া কাপের জন্য শনিবার ঘোষিত ২০ সদস্যের দলেও জায়গা হয়নি তার।
৫ অক্টোবর ভারতে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপ দলেও তার জায়গা পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। তার কারণ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, এশিয়া কাপের দলই বিশ্বকাপে খেলবে।
আইসিসি বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহর খেলা নিয়ে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, বিশ্বকাপ দলে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সুযোগ পাওয়া অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং হবে। এটাই সত্যি কথা। কেউ খারাপ খেলুক, রিয়াদ ওখানে জায়গা করে নিক, আমি এটাও বলতে পারি না। আবার এটাও বলতে পারি না- কেউ ইনজুরি আক্রান্ত হোক আর রিয়াদ ওখানে খেলুক। রিয়াদের যদি যোগ্যতা থাকে, সে অবশ্যই সুযোগ করে নেবে।
জাতীয় দলের সাবেক এই প্রধান কোচ আরও বলেন, অবস্থাদৃষ্টে বিশ্বকাপ ভাবনায় মাহমুদউল্লাহর না থাকাটাই এখন সম্ভাব্য বাস্তবতা। তবে বিশ্ব আসরে না থাকলেই সব কিছুর শেষ মানতে চান না খালেদ মাহমুদ। বরং সামনের বছরেও মাহমুদউল্লাহর দলে ফেরার চেষ্টা দেখতে চান বিসিবির এই পরিচালক।
সুজন আরও বলেন, বিশ্বকাপটাই রিয়াদের শেষ কেন? বিশ্বকাপ তো অক্টোবরে শেষ। এরপর তো অনেক খেলা আছে। রিয়াদ যদি ইয়ো ইয়ো টেস্টে ১৭.৬ পায়, যেটা আমি শুনলাম, তাহলে তো ও নিজেকে তৈরি করে আরও এক বছর চেষ্টা করতে পারে।
জাতীয় দলের সাবেক এই ম্যানেজার আরও বলেন, যখনই কোনো বিশ্বকাপ আসে… সেটা ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি… কোনো ক্রিকেটার সুযোগ না পেলে আমরা বলি, শেষ হয়ে গেল। এ কথাটাও ঠিক নয়। রিয়াদ তো আর অন্য কিছু করে না, এটাই তার পেশা।
সুজন বলেন, আমার মনে হয় রিয়াদ ঘরোয়া ক্রিকেট খেলবে। আমার ক্যারিয়ারে ১০ বার বাদ পড়েছি, ১০ বার (দলে) ঢুকেছি। এটা স্বাভাবিক, বড় ইস্যু বানানোর কিছু নাই। রিয়াদ গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। এবার সুযোগ পায়নি। তার জায়গায় যে সুযোগ পেয়েছে, টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করেছে তাকে এই মুহূর্তে দলে কাজে লাগবে।
তিনি আরও বলেন, এটা ঠিক আছে। আমি এটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন তুলতে পারি না। হ্যাঁ, রিয়াদের অভিজ্ঞতা, যেটা আমাদের বর্তমান মিডল অর্ডারে কারও কাছে নেই। আবার এটাও ঠিক, চাকরি না করলে তো আপনার অভিজ্ঞতা হবে না। তবে আমি মনে করি, অভিজ্ঞতা সবসময় বিবেচনা করা হয়।
যুগান্তর
