১১ October ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Greencity24

রাত ৮টায় দোকান বন্ধে নগরীর ব্যবসায়ীদের মাঝে আগ্রহ

প্রকাশিত: ২১ June ২০২২, ৩:১০ pm | বিভাগ: রাজশাহী, রাজশাহী প্রতিদিন, সব খবর
রাত ৮টায় দোকান বন্ধে নগরীর ব্যবসায়ীদের মাঝে আগ্রহ
বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাত ৮টার পরে রাজশাহী নগরীতে দোকানপাট বিপণি-বিতান, মার্কেট বন্ধ করেছে ব্যবসায়ীরা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার (২০ জুন) রাত ৮টা থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে নগরীর সাহেবাজার এলাকায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের মোবাইল কোর্টের গাড়ি টহল দিতে দেখা গেছে। তবে দোকানে, বিপনি-বিতানে ক্রেতা থাকলে আধাঘণ্টা পর্যন্ত ক্রেতাদের কেনাকাটার সুযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে নগরীর, সাহেববাজার, নিউ মার্কেট, রাণীবাজার, গণকপাড়া, আলুপট্টি এলাকার দোকানপাট, বিপণি-বিতান ও মার্কেটগুলো ব্যবসায়ীদের বন্ধ করতে দেখা গেছে। প্রথমদিন হিসেবে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ছিল। ব্যবসায়ীরা রাত আটটার আগে থেকেই দোকান বন্ধের প্রস্তিুতি রেখেছি। রাত ৮টা বাজার পর পরেই দোকানপাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া হোটেল ও খাবারের দোকানগুলো খোলা দেখা গেছে। অন্যদিকে, নগরীতে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান, রেস্তোরাঁ খোলা দেখা গেছে। সেখানে অল্প ক্রেতা লক্ষ্য করা গেছে।

কয়েকজন ব্যবসায়ী জানায়, সামনে ইদ। ইদে খরচের একটা ব্যপার থাকে। বিগত বছরগুলোতে করোনার কারণে আমরা ব্যবসা করতে পারিনি। সেই সময় অনেকেই ঋণে জড়িছেন। এখন সবকিছু স্বাভাবিক হয়েছে; আমরা ভালোভাবে ব্যবসা করতে চাই। আবারো উঠে দাঁড়াতে চাই।

তারা আরো বলেন, এখন অনন্ত রাত ১০ টা পর্যন্ত দোকানপাট, বিপনী-বিতানগুলো খোলার অনুমতি পেলে ভালো হতো। কারণ সারাবছরে দুই ইদকে ঘিরে বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ব্যবসা হয়। সেই টাকায় সারাবছর চলতে হয়।

রাজশাহী ব্যবসায়ী সম্বনায় পরিষদ ও উত্তরবঙ্গ বেকারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার আলী জানান, ‘সামনে ইদ। ইদকে ঘিরে ক্ষুদ্র ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সমস্যা হবে। কারণ করোনার কারণে বিগত বছরগুলোতে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়েছে। সর্বশেষ গত বছর ব্যবসা হয়েছে। আমরা চাচ্ছিলাম ইদের পরে থেকে কার্যকর করলে ভালো হতো। আমরা ইদ পর্যন্ত কোন টাইম লাইন চাচ্ছি না।’



রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মাসুদুর রহমান রিংকু জানান, রাত ৮টায় দোকান বন্ধের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি; তারা আমাদের বলেছে এটা সাময়িক অসুবিধা। অল্প সময়ে মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। তবে টাইম লাইন রাত ৮টার পরিবর্তে ১০ টা হলে ভালো হয়। তাহালে ব্যবসায়ীদের ব্যবসা একটু ভালো হবে।

তিনি আরো বলেন, রাজশাহীতে ভারী শিল্প নেই। এখানে ট্রেড ভিত্তিক ব্যবসা। করোনাকালীন সময়ে সরকার বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে। তা থেকে রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা বঞ্ছিত। ব্যাংকগুলো ঋণের টাকা পরিশোধের সময় কিস্তি বাড়িয়েছে; তাতে কি হলো কিস্তির সাথে টাকাও বেড়েছে। সরকারে দেওয়ার সুযোগ-সুবিধাগুলো ঢাকার ব্যবসায়ীরা বেশি পেয়ে থাকে। আমরা অনেকটাই বঞ্ছিত।

রাজশাহীর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শকের উপ-মহাপরিদর্শক আরিফুর ইসলাম জানান, রাজশাহীর প্রায় সকল দোকানপাট ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সাময়ের মধ্যে তারা বন্ধ করে দিয়েছে। ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দরা আমাদের সহযোগিতা করছে। ভবিষ্যতেও এমন সহযোগিতা কামনা করেন।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন