১০ October ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Greencity24

পর্যাপ্ত গরু রাজশাহী সিটি হাটে, জমেনি কেনাবেচা

পর্যাপ্ত গরু রাজশাহী সিটি হাটে, জমেনি কেনাবেচা
বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহী অঞ্চলের কোরবানির পশু বিক্রির সবচেয়ে বড় হাট ‘সিটি হাট’। আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে হাটে গরু নিয়ে আসতে শুরু করেছেন স্থানীয় খামারি ও ব্যাপারিরা।

তবে তুলনামূলক সংখ্যক গবাদিপশু থাকলেও ছিলনা বিক্রি। ফলে দিনভর পশু নিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সময় কাটে অনেক খামারি ও ব্যাবসায়ীর। অনেকের পশু শেষ পর্যন্ত বিক্রি না হওয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন। ফলে জমে ওঠেনি কেনাবেচা। রোববার (২৬ জুন) দুপুরে রাজশাহীর সিটি পশু হাটে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

ক্রেতারা বলছেন, ‘দেশি গরুর দাম চড়া। মোটেও ছাড় দিচ্ছেন না বিক্রেতারা। সাড়ে ৩ থেকে সাড়ে ৩ মন ওজনের গরুর দাম লাখের উপরে উঠছে। শেষ দিকে হয়তো দাম কিছুটা কমবে। ফলে তারা আরও সময় নিবেন গরু কিনতে।’

আর বিক্রেতা ও খামারিরা বলছেন- ‘গরুর খাবারের দাম বেশি। ছয় মাস যেসব গরু লালন-পালন করা হয়েছে, তার পেছনে বড় অংকের টাকা খাবার ও চিকিৎসায় ব্যয় হয়ে গেছে। তাই ভালো দাম না পেলে গরু বিক্রি করলে লোকসান গুণতে হবে তাদের।’

বাড়িতে লালনপালন করে হাটে গরু বিক্রি করতে এসেছেন আব্দুর রহিম। তিনি জানান, গরু লালন-পালন করতে পানিসহ সবকিছুই কিনতে হয়। খরচ শুরু গরু কেনা থেকে। এরপরে লালন-পালন বাবদ- খড়, ধানের গুড়া, চালের গুড়া, খৈল, গমের আটা, অ্যাঙ্করের ভূষি ছাড়াও বিভিন্ন চিকিৎসা খরচ রয়েছে। এইগুলোর পরেই একটি গরু বিক্রির উপযুক্ত হয়ে উঠে।

তিনি আরো বলেন, যেভাবে সবকিছুর দাম বেড়েছে, সেই ভাবে আমরা গরুর দাম পাবো কী না জানি না। এখন বাজার নরম। হাটে ক্রেতা একদমই কম। গরুর দামই বলতে চাই না কেউ। দাম শুনেই চলে যাচ্ছে।’

গরু ক্রেতা আদম আলী জানান, কোরবানি ইদের দুই সপ্তার বেশি সময় বাকি। অনেকেই কোরবানির গরু রাখার সমস্যার কারণে কিনছেন না। তারা ইদের দুই-তিনদিন আগেই কিনবেন। সেই কথা ভেবে অনেকেই হাটে আসেননি।

রাজশাহী সিটি হাটের ইজারাদার ফারুক হোসেন ডাবলু গ্রীনসিটি টোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘ আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে হাটে পর্যাপ্ত গরু আসছে। এর মধ্যে দেশী গরুই বেশী। এর মধ্যে কিছু বড় বড় গরুও আছে। গরুগুলো খামারের মাধ্যমে এক বছর ও ছয়-সাত মাস করে লালন-পালন করা। তবে হাটে ক্রেতা কম, এটা সত্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘গতবছর এই সময় হাটে কেনাবেচা ভাল হয়েছিল। কিন্তু এই বছরে কেনাবেচায় মন্দা। তবে কয়েক দিনের মধ্যেই হাট জমে উঠবে বলে আশা করছি।’

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন